নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোরগঞ্জে গত দুই দিন ধরে তীব্রতা বেড়েছে শীতের।গত বুধবার থেকে দেখা মিলছে না সূর্যের। ঘন কুয়াশায় চারপাশ আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে এবং একই সঙ্গে বইছে মৃদু ঠান্ডা হাওয়া। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি।
শীত নিবারণের জন্য সাধারণ মানুষ আগুন জ্বালিয়ে ও মোটা কাপড় পরে ঠান্ডা মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন। কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও সড়কে ছোট-বড় যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।
তীব্র শীত উপেক্ষা করে শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ ভোর থেকেই কাজে বের হচ্ছেন। এদিকে শীত বাড়ায় বাজারে পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়।
চিকিৎসকদের মতে, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আর.পি.(মেডিসিন) মেডিসিন ও গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ ডাঃ মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঞা বলেন – আবহাওয়ার আকষ্মিক পরিবর্তনের সাথে তরুণ বা মধ্যবয়সীরা খাপ খাইয়ে নিতে পারলেও শিশু ও বয়স্কদের বেশ ভুগতে হয়। আর শীতকালে শিশু ও বয়স্কদের মাঝে এর প্রকোপটা বেশ গভীরভাবেই পরিলক্ষিত হয়। শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যা বা শ্বাসনালীর প্রদাহ শিশু ও বয়স্কদের খুবই কমন। এছাড়াও শীতে সাধারণ সর্দি, কাশি বা ফ্লু থেকে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়, এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় শিশুরা। তাই, শিশুদের গরম কাপড় পরানো এবং পুষ্টিকর খাবারের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তাছাড়া, যারা হার্টের রোগী বা হার্টের সমস্যা রয়েছে এই শীতে তাদের নিতে হবে বিশেষ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply